মঙ্গলবার ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

রাজশাহীতে কমছে মৃত্যু, কমেছে আতংক

শাহ্জাদা মিলন   |   বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট ২০২১ | প্রিন্ট

রাজশাহীতে কমছে মৃত্যু, কমেছে আতংক

করোনার ভীতি কাটিয়ে আবারো প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে রাজশাহী। শিশু কিশোররা মেতেছে দুরন্তপনায়। মহানগরীর রায়পাড়া বটতলা বালুর ঘাট থেকে আজ তোলা

-উত্তরা প্রতিদিন

রাজশাহী বিভাগে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ কমেছে। ফলে করোনা ভীতি এখন অনেকটাই কমে এসেছে। স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ফিরে আসছে সবার মাঝে।

আগের মতোই কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে রাজশাহী। স্থবির শহর এখন কোলাহলে পূর্ণ। রাজশাহীর পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত টি-বাঁধ, বড়কুঠি পদ্মারপাড়,আইবাঁধ, সাহেববাজার নিউমার্কেট এলাকা বিকেল হলেই জনসমাগমের দেখা মিলছে।

তবে আগের মতো আবশ্যিকভাবে মাস্ক পড়ার চাহিদা কমে আসছে ধীরে ধীরে।

এদিকে করোনার ভীতি দূর হতেই মাস্ক বিহীন চলাফেরা আবারো বেড়েছে । এছাড়া করোনার একটি ডোজ আবার অনেকে দুটি ডোজ নেয়ায় গাছাড়া দিয়েছেন করোনার আতংক থেকে। ফলে করোনার ভয়কে পাশ কাটিয়ে নতুন উদ্যোমে জীবন সংগ্রামে লেগেছেন সকলে।

নিউমার্কেটের পিছনে হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী সুমন জানান, টানা কয়েক মাসের করোনা ও লকডাউনের প্রভাবে পোশাকের ব্যবসা নাই বললেই চলে। মানুষের কাছে টাকা নেই এখন। মৌলিক চাহিদা পূরণ করবে না বিলাসিতা দেখাবে। অনেক পোশাক ব্যবসায়ী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বেচাকেনা না থাকলেও দোকানভাড়া দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন এ মার্কেটের অনেক দোকানদার।

তিনি আরো বলেন, যেহুতু করোনার ভয় আগের মতো নেই তাই আমরা আবারো ব্যবসায় মনোযোগ দিচ্ছি। আশা করছি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে আমরা আগামী দুইবছরের মধ্যে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠবো।

রাজশাহী নিউমার্কেটের সামনে ভাসমান ফাস্টফুড খাবার বিক্রেতা মাসুদ,হিমেল,নূর। তারা জানান, লকডাউনের প্রভাবে পথে বসে গেছি আমরা। দোকান খুলতে পারিনি, মানুষ না খেলে আমরা দুটো পয়সা কিভাবে আয় করবো। আর আয় না হলে বিবি বাচ্চা নিয়ে কিভাবে চলবো। আশা করছি করোনা ভাইরাস যেনো দেশে আতংক তৈরি করতে না পারে। আমরাও লকডাউনে না পরি।

তবে করোনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিলো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কারণ প্রতিটি জেলায় সবধরণের সেবা দেয়ার সুযোগ না থাকায় বিভাগীয় হাসপাতাল ও সুবিধা বেশি থাকায় করোনাকালীন সময়ে সেই ভীতিকর পরিস্থিতিতে অত্যন্ত সক্ষমতার ও দক্ষতার সাথে লড়েছেন ডাক্তার নার্সসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এখন দিনে দিনে মৃতের সংখ্যা যত কমছে করোনার ওয়ার্ডগুলো খালি হয়ে আসছে। বর্তমানে নার্সদের করোনা যোদ্ধা হিসেবে সম্মাননা স্মারক দিয়ে পুরস্কৃত করা হচ্ছে রামেকে । ৮৫০ জন নার্সকে এই সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। গত বুধবার ১৫০ জন নার্সকে স্মারক তুলে দেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী।

বিভাগে আট জেলায় সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বগুড়ায় সর্বো”চ ৬৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বো”চ ২৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী জেলায়। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪৮ জন, নওগাঁয় ১৩৪ জন, নাটোরে ১৬৩ জন, সিরাজগঞ্জে ৯২ জন, জয়পুরহাটে ৫৪ জন ও পাবনায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

উত্তরা প্রতিদিন / শাহ্জাদা মিলন

 

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১০:৪১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট ২০২১

uttaraprotidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
এনায়েত করিম সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)
প্রধান কার্যালয়

৫৩০ (২য় তলা), দড়িখরবোনা, উপশহর মোড়, রাজশাহী-৬২০২

ফোন: ০৭২১-৭৬০১৪৩, ০১৯৭৭১০০০২৭

E-mail: uttaraprotidin@gmail.com