মঙ্গলবার ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

গোমস্তাপুরে পোলট্রি খামারিদের মাথায় হাত

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ০৬ আগস্ট ২০২১ | প্রিন্ট

গোমস্তাপুরে পোলট্রি খামারিদের মাথায় হাত

লকডাউন ও কোরবানির কারণে মুরগি বিক্রি হচ্ছে না

-প্রতিনিধি

চলমান লকডাউনের প্রভাবে পোলট্রি খামারিদের চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে। একেতো লকডাউন অন্যদিকে গত কোরবানির কারণে তেমন মুরগিও বিক্রি হচ্ছে না। ফলে খামারের মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে খামার মালিকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছোট বড় প্রায় দু’শতাধিক মুরগির খামার রয়েছে। এসব খামারে ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। খামারিরা মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করে মুরগি উৎপাদন করে থাকেন। এসব মুরগি উৎপাদনে খামার তৈরি, শ্রমিক নিয়োগ, রুটিন মতো খাবার পরিবেশন ও পরিচর্যা সবকিছু মিলিয়ে বিক্রয় উপযোগী মুরগি তৈরি করতে একজন খামার মালিককে অর্থ বিনিয়োগ ও শ্রম দিতে হয়। সে অনুযায়ী মুরগির দাম না থাকায়, খামারিদের এখন চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে। লকডাউনের আগে বাজারে মুরগির যে দাম ছিল তাতে তারা বেশ লাভবান হলেও, এখন মুরগি বাজারজাত করতে না পারায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

রহনপুর কলেজ মোড়ের হাসান আলী নামক একজন খামারি জানান, লকডাউন এর আগে সোনালী মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ থেকে ১৪০ কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে লকডাউনের প্রভাবে সেই সোনালি মুরগি ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা, আর ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা ১২৫ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবুও পাইকারি ক্রেতা এখন অনেক কম।

সিরাজুল ইসলাম নামে একজন খামারি বলেন, তার খামারে প্রায় ৩ হাজার মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। অথচ বিক্রির উপযোগী হলেও লকডাউনের কারণে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে মুরগির দাম কম অথচ তাদের খাদ্য সামগ্রীর দাম ও শ্রমিকের মজুরি অনেক বেশি। বেশি খরচে মুরগি উৎপাদন করে কম মূল্যে এগুলো বিক্রি করে অনেক লোকসান গুনতে হচ্ছে।

ক্রমাগত লোকসানের কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত অনেক খামারি তাদের খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে মুরগি বিক্রেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে, আগে প্রতিদিন অধিকাংশ বিক্রেতা প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বেশি মুরগি বেচাকেনা করতেন। এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে চলমান লকডাউনে মুরগির বাজারে ধস নেমে এসেছে। তাদের প্রতিদিন ৫/৬ হাজার টাকার বেশি বেচাকেনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে খামারিদের।

উত্তরা প্রতিদিন/ আমিনুল

 

 

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১১:০৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৬ আগস্ট ২০২১

uttaraprotidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
এনায়েত করিম সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)
প্রধান কার্যালয়

৫৩০ (২য় তলা), দড়িখরবোনা, উপশহর মোড়, রাজশাহী-৬২০২

ফোন: ০৭২১-৭৬০১৪৩, ০১৯৭৭১০০০২৭

E-mail: uttaraprotidin@gmail.com