বুধবার ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

নওগাঁয় গ্রামীণ সড়কে বেহাল দশা, থমকে আছে উন্নয়নের চাকা

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ   |   শনিবার, ২৬ জুন ২০২১ | প্রিন্ট

নওগাঁয় গ্রামীণ সড়কে বেহাল দশা, থমকে আছে উন্নয়নের চাকা

বর্ষায় গ্রামীণ কাচা সড়ক কাদা পানিতে একাকার - প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরের একডালা ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের গ্রামীণ সড়তগুলোর বেহাল দশা। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এ অঞ্চলের গ্রামীণ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এখনও মাটির পরিবর্তে ইটের ছোঁয়াও স্পর্শ করেনি। যার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাকা থমকে রয়েছে।

জানা যায়, একডালা ইউনিয়নের ঘাটাগন ব্রিজ হতে গুলিয়া পর্যন্ত প্রায় ৫শত ফুট, পার্শ্ববর্তি বগুড়ার আদমদীঘি ইউনিয়নের চাঁপাপুর কালিগঞ্জ রাস্তার জিসি থেকে দীঘিরপাড় হয়ে গুচ্ছগ্রামের গুলিয়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার ও উপর তালিমপুর কাঁঠালতলী হতে নিচতালিমপুর পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার মাটির রাস্তায় দেশ স্বাধীনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইটের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। যার কারণে ঘাটাগন, গুলিয়া, চাঁপাপুর, কালিগঞ্জ, দীঘিরপাড়, উপর তালিমপুর, নিচতালিমপুরসহ শতাধিক গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে বর্ষা মৌসুমে হাটু কাঁদার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হয়।

গ্রামীণ এই রাস্তাগুলোর বেহাল দশার কারনে কৃষি প্রধান এই অঞ্চলের কৃষকরা বছরের পর বছর কৃষিপন্যের নায্যদাম থেকে বঞ্চিত। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার বিকল্প নেই।

স্থানীয়রা মনে করছেন গ্রামীন জনপদের উন্নয়নের জন্য সরকার প্রতি বছর স্থানীয় সরকার বরাবর লাখ লাখ টাকার যে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে আসছে সে বরাদ্দগুলো শুধুমাত্র কাগজ-কলমে দেখিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের লুটপাটের কারনে উন্নয়নমূলক কাজগুলো বাস্তবে রূপ পায় না। যার খেসারত দিতে হচ্ছে গ্রামীণ জনপদের হাজারো সুবিধা বঞ্চিত বাসিন্দাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমীন, আব্দুল বারেকসহ অনেকেই বলেন, সরকারের দেওয়া অর্থ স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের লুটপাটের কারনে গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত মাটির জায়গায় ইট সোলিং এর ছোঁয়াও স্পর্শ করেনি। আর বর্তমান চেয়ারম্যানের অনিয়ম আর দুর্নীতির কারনে অতিষ্ঠ ইউনিয়নবাসী।

একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর সরকারের কাছ থেকে যে পরিমাণ বরাদ্দ পেয়ে থাকি তা দিয়ে এসব রাস্তার কাজ করার চেষ্টা করে আসছি। চাহিদার চেয়ে বরাদ্দ অনেক কম হওয়ার কারনে সকল গ্রামীন রাস্তাগুলোর সংস্কার করা সম্ভব হয় না। বরাদ্দ এলে মাটির রাস্তাগুলো পূর্ননির্মাণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে গ্রামীন জনপদের উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। প্রতি বছর সংস্কার কাজের জন্য যে বরাদ্দ পাওয়া যায় তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ রাস্তাগুলোর তালিকা করে উর্দ্ধতন বিভাগে পাঠিয়েছি। বরাদ্দ এলেই জরুরী ভিত্তিতে তালিকায় থাকা গ্রামীণ রাস্তাগুলোর সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

উত্তরা প্রতিদিন/একে

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১১:৫৮ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২৬ জুন ২০২১

uttaraprotidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ বাবলু সম্পাদক
এনায়েত করিম প্রধান বার্তা সম্পাদক
প্রধান কার্যালয়

৫৩০ (২য় তলা), দড়িখরবোনা, উপশহর মোড়, রাজশাহী-৬২০২

ফোন: ০৭২১-৭৬০১৪৩, ০১৯৭৭১০০০২৭

E-mail: uttaraprotidin@gmail.com